বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে সীতাকুণ্ডে দুই নেতার অনুসারীদের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া, ককটেল বিস্ফোরণ ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। সংঘর্ষের জেরে বিক্ষুব্ধ নেতাকর্মীরা ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে ব্যারিকেড দিলে প্রায় আধঘণ্টা যানজট সৃষ্টি হয়।
মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) বিকেলে সীতাকুণ্ড পৌরসদরে বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য আসলাম চৌধুরী ও চট্টগ্রাম উত্তর জেলা যুবদলের সাবেক সভাপতি কাজী সালাহউদ্দিনের অনুসারীদের মধ্যে এ ঘটনা ঘটে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে পূর্বঘোষিত কর্মসূচি পালনের জন্য বিকেল ৩টার দিকে আসলাম চৌধুরীর অনুসারীরা সীতাকুণ্ড পৌরসভার এলকে সিদ্দিকী স্কয়ারে এবং কাজী সালাহউদ্দিনের অনুসারীরা উপজেলা পরিষদের বিপরীতে মুনস্টার কমিউনিটি সেন্টারে জড়ো হন।
পরে দুই পক্ষ মিছিল নিয়ে পৌরসদরের দিকে গেলে মুখোমুখি অবস্থান সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে শুরু হয় ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া।
এ সময় নেতাকর্মীদের হাতে ব্যানার-ফেস্টুনের পাশাপাশি বাঁশ, লাঠি ও লোহার রড দেখা যায়।
ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার একপর্যায়ে ৫ থেকে ৬টি ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে।
খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং ধাওয়া দিয়ে দুই পক্ষকে তাদের নির্ধারিত কর্মসূচিস্থলে সরিয়ে দেয়।
সংঘর্ষের পর কাজী সালাহউদ্দিনের অনুসারীরা সীতাকুণ্ডের বাঁশবাড়িয়া এলাকায় এবং আসলাম চৌধুরীর অনুসারীরা পৌরসদর এলাকায় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে অবস্থান নিয়ে ব্যারিকেড দিলে মহাসড়কে যানজট সৃষ্টি হয়।
সীতাকুণ্ড থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহিনুল ইসলাম বলেন, উভয়পক্ষের মধ্যে ধাক্কাধাক্কি হয়েছে। আহত হওয়ার মতো কোনো সংঘর্ষ হয়নি। আমরা তাদের সরিয়ে দিয়েছি। বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। বিক্ষুব্ধ নেতাকর্মীরা মহাসড়ক অবরোধ করেছিল। ২০ মিনিট পর ব্যারিকেড তুলে নিলে যানচলাচল স্বাভাবিক হয়।
চট্টগ্রামনিউজ/ এসডি/
