চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (চাকসু) নির্বাচনের প্রচারণা শেষ হচ্ছে আজ রাত ১২টায়। শেষ মুহূর্তে সোমবার (১৩ অক্টোবর) সকাল থেকে প্রার্থীরা ক্যাম্পাসজুড়ে ব্যস্ত সময় পার করছেন ভোটারদের মন জয় করতে।
প্রচারণার শেষ দিনে কোনো মুহূর্ত নষ্ট করতে চান না কেউ। সকাল থেকে আবাসিক হলে হলে, একাডেমিক ভবন ও আড্ডাস্থলে গিয়ে প্রার্থীরা দিচ্ছেন নানা প্রতিশ্রুতি। তাদের মূল প্রতিশ্রুতিতে স্থান পেয়েছে—আবাসন সংকট সমাধান, নিরাপদ ক্যাম্পাস, পরিবহন ও গবেষণা খাতে উন্নয়ন।
তবে শিক্ষার্থীদের একটি বড় অংশ বলছেন, তাঁরা প্যানেল দেখে নয়; বরং যোগ্যতা বিবেচনায় প্রার্থীকে ভোট দেবেন।
চাকসু নির্বাচন উপলক্ষে পাঁচটি অনুষদ ভবনকে ভোটকেন্দ্র হিসেবে নির্ধারণ করা হয়েছে। প্রতিটি কেন্দ্রে থাকবে ১২টি করে মোট ৬০টি গোপন ভোটকক্ষ।
সবচেয়ে বেশি ভোটার থাকছে ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদ ভবন কেন্দ্রে। এখানে প্রীতিলতা হল, বিজয়-২৪ হল, শহীদ ফরহাদ হোসেন হল ও শিল্পী রশিদ চৌধুরী হোস্টেলের ৭ হাজার ৭৩ জন শিক্ষার্থী ভোট দেবেন।
সমাজবিজ্ঞান অনুষদের ড. মুহাম্মদ ইউনুস ভবন কেন্দ্রে ভোট দেবেন নবাব ফয়জুন্নেছা হল, শামসুন নাহার হল, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া হল ও অতীশ দীপঙ্কর হলের ৬ হাজার ৬১৬ জন ভোটার।
শহীদ হৃদয় চন্দ্র তরুয়া ভবন (কলা ও মানববিদ্যা অনুষদ নতুন ভবন) কেন্দ্রে ভোট দেবেন শাহজালাল হল, এ এফ রহমান হল ও আলাওল হলের ৫ হাজার ২৬৩ জন শিক্ষার্থী।
বিজ্ঞান অনুষদ ভবনে ভোট দেবেন আমানত হল, শহীদ আবদুর রব হল ও মাস্টারদা সূর্য সেন হলের ৪ হাজার ৫৩৬ ভোটার।
সবচেয়ে কম ভোটার থাকছে আইটি অনুষদ ভবনে, যেখানে সোহরাওয়ার্দী হলের ৪ হাজার ৩৬ শিক্ষার্থী ভোট দেবেন।
নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, চাকসুর ২৬টি পদের বিপরীতে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ৪১৫ জন প্রার্থী। হল ও হোস্টেল সংসদের ১৪ ও ১০টি পদে লড়ছেন আরও ৪৯৩ জন প্রার্থী।মোট ভোটার সংখ্যা ২৭ হাজার ৫১৬ জন।
তফসিল অনুযায়ী আগামী বুধবার (১৫ অক্টোবর) সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত একযোগে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। ভোট শেষ হওয়ার পরপরই রিটার্নিং কর্মকর্তার কক্ষে গণনা শুরু হবে।
