খাগড়াছড়ি সদর ও গুইমারা উপজেলায় ১৪৪ ধারা ভঙ্গ করে হামলা, ভাংচুর, অগ্নিসংযোগ ও হত্যার ঘটনায় পৃথক ৩ টি মামলা করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার সকালে গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন খাগড়াছড়ির পুলিশ সুপার আরেফিন জুয়েল।
পুলিশ সুপার জানান, গেল শনিবার ও রোববার সদর ও গুইমারা থানা এলাকায় ১৪৪ ধারা চলাকালে বেআইনী ভাবে দলবদ্ধ হয়ে সরকারি কাজে বাধা, হামলা, ভাংচুর, অগ্নিসযোগ ও হত্যার ঘটনায় গতরাতে গুইমারা থানায় ২ টি ও সদর থানায় ১ টি মামলা হয়েছে। খাগড়াছড়ির মামলায় ৭ শ থেকে ৮ শ জনকে অজ্ঞাত আসামী করা হয়। গুইমারার ১ টি হত্যা মামলায় অজ্ঞাত আসামী এবং আরেকটি মামলায় ২ শ ৫০ জন থেকে ৩ শ জনকে আসামী করা হয়।
এদিকে আজ খাগড়াছড়ি সদরের সাপ্তাহিক হাটবারের দিন হওয়ায় জনসমাগম বেড়েছে। ক্রেতা বিক্রেতার উপস্থিতির সংখ্যা বেড়েছে। স্বাভাবিক ভাবে চলাচল করছে যাত্রী ও পণ্যবাহী পরিবহন। পর্যটকবাহী গাড়ি চলাচল থাকলেও নিরাপত্তা বাড়ানোর দাবি ঘুরতে আসা পর্যটকদের। সদর উপজেলার বিভিন্ন সড়কে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর টহল ও চেকপোষ্ট অব্যাহত রয়েছে।
গেল ২১ সেপ্টেম্বর জেলা সদরে এক স্কুল ছাত্রীকে ধর্ষণের ঘটনায় অবরোধ কর্মসূচি দেয় জুম্ম ছাত্র জনতা নামে এক সংগঠন। গেল শনিবার অবরোধ চলাকালে সংঘর্ষের জেরে প্রথমে জেলা সদর ও পরবর্তীতে গুইমারা থানায় ১৪৪ ধারা জারি করা হয়। ১৪৪ ধারা ভঙ্গ করে হামলা, ভাংচুর ও খুনের ঘটনা ঘটে।
আর এইচ/
