সাজেক অঞ্চলের মতো ব্যাপক আকারে খাগড়াছড়িতে ধানে ইদুঁরের আক্রমণ হওয়ার ঝুঁকি না থাকলেও সতর্কতা থাকতে হবে। সেপ্টেম্বর ও অক্টোবর ২ মাস ইদুঁরের উপদ্রব থাকায় দেখা মাত্র ইদুঁর নিধনে ব্যবস্থা নেয়ার পরামর্শ দেন খাগড়াছড়ি কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক বাছিরুল আলম।
বৃহস্পতিবার (১১ সেপ্টেম্বর) বিকেলে খাগড়াছড়ি সদরের ঠাকুরছড়ার টঙ্গী পাড়া গ্রামে বিনা উদ্ভাবিত স্বল্পজীবনকালীন উচ্চ ফলনশীল আউশ ধান বিনা ২১ এর সাথে অন্যান্য জাতের ধানের প্রায়োগিক পরীক্ষণ মূল্যায়ন, প্রচার ও চাষাবাদ সম্প্রসারণের লক্ষ্যে আয়োজিত মাঠ দিবসে তিনি এসব কথা বলেন।
কৃষিবিদরা আরও বলেন, জলবায়ূ পরিবর্তনের প্রভাবে কৃষি খাতে চ্যালেঞ্জ বাড়ছে। পার্বত্য চট্টগ্রাম তা থেকে বাদ পড়েনি। এ প্রেক্ষাপটে জলবায়ু ও ভূমির সাথে সামঞ্জর্স্যপূর্ণ ভাবে আধুনিক চাষাবাদে অভ্যস্ত হতে হবে।
বিনা খাগড়াছড়ি উপ কেন্দ্রের বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা রিগ্যান গুপ্ত সহ কৃষি কর্মকর্তা ও কৃৃষক কৃষানীরা এ সময় উপস্থিত ছিলেন।
আর এইচ/
