অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের আইন উপদেষ্টা হিসেবে দেশের আইনশৃঙ্খলা ফেরানোর ব্যাপারে অগ্রাধিকার দিয়ে এখতিয়ারাধীন বিষয়গুলোতে সংস্কারের কথা জানিয়েছেন অধ্যাপক আসিফ নজরুল।
তিনি বলেছেন, “আমি মনে করি এটা আমার দায়িত্ব, এটা ছাত্র-জনতার আকাঙ্ক্ষাকে প্রতিনিধিত্ব করার দায়িত্ব। আইন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা হিসেবে আইনগত সংস্কার করে উপযুক্ত জায়গায় উপযুক্ত ব্যক্তিদের পদায়ন করে আমার মন্ত্রণালয়ের এখতিয়ারাধীন ব্যাপারে যা যা করা আছে আমি সর্বাত্মক চেষ্টা করব।”
শনিবার(১০ আগস্ট ) দুপুরে আইন মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের বিভিন্ন জবাব দিচ্ছিলেন আইন উপদেষ্টা।
এদিন সকালে সচিবালয়ে আইন উপদেষ্টা মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেন। বৈঠকে জুলাই-অগাস্টে ছাত্র-জনতার গণআন্দোলন দমনে যে সব হত্যাকাণ্ড ঘটেছে, সেসবের সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত বিচারের আওতায় আনার ব্যবস্থা করাসহ পাঁটি সিদ্ধান্তও হওয়ার কথা তুলে ধরেন আইন উপদেষ্টা।
বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নে তিনি বলেন, “আমি আইনের শিক্ষক, আমার অনেক শিক্ষক আছেন লয়ার জুডিশিয়ারিতে, হাইয়ার জুডিশিয়ারিতে। কীভাবে ‘মিসকারেজ অব জাস্টিস’ হয়েছে, বিচারের নামে কীভাবে হয়রানি হয়েছে, ন্যায়বিচার থেকে বঞ্চিত করা হয়েছে…। পুরো প্রক্রিয়াটা সম্পর্কে ইনশাল্লাহ আমি জানি, আমি আমার সাধ্যমত চেষ্টা করব।”
দেশের আইনশৃঙ্খলা ফেরানোর ওপর জোর দিয়ে তিনি বলেন, “আমরা ইমিডিয়েট যে কর্মসূচি নিয়েছি, এটা হচ্ছে ল অ্যান্ড অর্ডার রেস্টোর করা, গণহত্যা হয়েছে জুলাইতে, সেই দোষীদের শাস্তির ব্যবস্থা করা।”
সাইবার নিরাপত্তা আইন নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে আসিফ নজরুল বলেন, “যেকোনো ধরনের খারাপ আইন, কোনটা সংস্কার করা প্রয়োজন, কোনটা বাতিল করা প্রয়োজন, সেটা আমরা সুচিন্তিতভাবে পদক্ষেপ নেওয়ার চেষ্টা করব।
