চাঁদপুর নৌ-সীমানায় বৃহস্পতিবার রাত থেকে পদ্মা-মেঘনা নদীর অভয়াশ্রম এলাকায় আগামী ২ নভেম্বর পর্যন্ত ২২ দিন ইলিশ আহরণ নিষিদ্ধ ঘোষণা করায় সকল প্রকার মাছ ধরায় নিষেধাজ্ঞা থাকবে।
এ সময় ইলিশ পরিবহন, ক্রয়, বিক্রয়, মজুদ ও বিনিময়ও নিষিদ্ধ থাকবে এবং একইসঙ্গে মা ইলিশ সংরক্ষণ অভিযান বাস্তবায়ন করা হবে।
সম্প্রতি রাজধানীর মৎস্য ভবনে মৎস্য অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে ইলিশের উৎপাদন বাড়ানোর লক্ষ্যে প্রধান প্রজনন মৌসুমে ইলিশ আহরণ বন্ধের সময় নির্ধারণ এবং মা ইলিশ সংরক্ষণ অভিযান ২০২৩ কে বাস্তবায়নের লক্ষে ইলিশ সম্পদ উন্নয়ন সংক্রান্ত জাতীয় টাস্কফোর্স কমিটির সভায় এই সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।
জাতীয় টাস্কফোর্স কমিটির সভায় মৎস্য ও প্রাণসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম বলেছেন, ইলিশ আহরণ নিষিদ্ধ থাকাকালে ইলিশ আহরণে বিরত থাকা জেলেদের সরকার ভিজিএফ খাদ্য সহায়তা দেবে।
ইলিশ সংক্রান্ত জেলা ও উপজেলা টাস্কফোর্সের সভা দ্রুততার সঙ্গে সম্পন্ন করা এবং জেলেদের জন্য বরাদ্দকৃত ভিজিএফ খাদ্যশস্য বিতরণের জন্য জেলা প্রশাসকদের নির্দেশনা দিয়েছেন মন্ত্রী।
চাঁদপুর সদর উপজেলা জ্যেষ্ঠ মৎস্য কর্মকর্তা মো. তানজিমুল ইসলাম বলেন, ইলিশ প্রজনন মৌসুম নির্ধারণের জন্য অভয়াশ্রম এলাকা থেকে মন্ত্রণালয়ে জেলার মাধ্যমে বিগত দিনে প্রস্তাবনা পাঠানো হয়।
চাঁদপুরের মতলব উত্তর, হাইমচর ও সদর উপজেলা থেকেও প্রস্তাবনা পাঠানো হয়েছে। আমরা চাঁদপুর সদর থেকে ১২ অক্টোবর থেকে ২ নভেম্বর পর্যন্ত ২২ দিনের প্রস্তাবনা পাঠাই।
এ বিষয়ে মৎস্য অধিদপ্তর থেকে ইলিশ ধরার যে নিষেধাজ্ঞার তারিখ নির্ধারণ হয়েছে সেটি আমাদের প্রস্তাবনার সাথে মিলে যায়।
