রাশিয়ান কালচারাল সেন্টার, রাশিয়ান সোসাইটি এবং স্টামফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় বাংলাদেশের আয়োজনে শুরু হয়েছে ‘রুশ চলচ্চিত্র উৎসব ও আলোকচিত্র প্রদর্শনী’।
সোমবার স্টামফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের অডিটোরিয়ামে দুই দিনব্যাপি এই উৎসব শুরু হয়েছে। প্রথম দিন প্রদর্শিত হয় রুশ চলচ্চিত্র ‘বালাদ অব এ সোলজার’।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশে নিযুক্ত রাশিয়ার রাষ্ট্রদূত আলেকজান্ডার ভিকেন্টিয়েভিচ মানতিতস্কি।
রুশ রাষ্ট্রদূত বলেন, বাংলাদেশের সঙ্গে রাশিয়ার সাংস্কৃতিক সম্পর্ক দীর্ঘ ও পুরোনো। সংস্কৃতি বিনিময়ের মাধ্যমে দুই দেশের মানুষ একে অন্যকে জানতে পারে। সে ধারা অব্যাহত রাখতেই এই চলচ্চিত্র উৎসবের আয়োজন। আশা করি আমাদের বন্ধুত্ব আরও দৃঢ় হবে।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন স্টামফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের বোর্ড অব ট্রাস্টিজের চেয়ারপার্সন ফাতিনাজ ফিরোজ, বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ইউনুছ মিয়া, রাশিয়ান কালচারাল সেন্টার প্রধান পাভেল আলেকজান্দ্রেভিচ , রডিনা’র সভাপতি এলেনা ইউরিভনা বাস এবং স্টামফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিল্ম অ্যান্ড মিডিয়া বিভাগের চেয়ারম্যান ও চলচ্চিত্র পরিচালক ড. মতিন রহমান।
প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মানবাধিকার কমিশনের সাবেক চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মিজানুর রহমান। সভাপতিত্ব করেন স্টামফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মনিরুজ্জামান।
চলচ্চিত্র নির্মাতা মতিন রহমান বলেন, বিশ্বে সোভিয়েত ইউনিয়নেই প্রথম ফিল্ম স্কুল চালু হয়, অন্যদিকে বাংলাদেশে বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে চলচ্চিত্রকে পাঠ্য হিসেবে প্রথম যুক্ত করে স্টামফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় বাংলাদেশ। চলচ্চিত্রের মাধ্যমে দুই দেশের সংস্কৃতি পাঠের চর্চাও পুরোনো।
সভাপতির বক্তব্যে স্টামফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য বলেন, রুশ চলচ্চিত্র বিশ্বব্যাপী সমাদৃত। এই চলচ্চিত্র উৎসবের মাধ্যমে আমাদের দেশীয় চলচ্চিত্রও উপকৃত হবে বলে মনে করি।
স্টামফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ বিভাগের প্রধান ফেরদৌস আলম সিদ্দিকী বলেন, মঙ্গলবার উৎসবের সমাপনী দিন প্রদর্শিত হবে রুশ চলচ্চিত্র ‘হার্ট অব এ ডগ’ এবং ‘পাইরেটস অব দ্য এক্সএক্স সেঞ্চুরি’।
উৎসবে একটি বিশেষ আলোকচিত্র প্রদর্শনীরও আয়োজন করা হয়েছে। স্বাধীনতার পর রুশ সেনারা বাংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্চলে মাইন অপসারণে এদেশের সরকারকে সাহায্য করেছিল।
পাশাপাশি রুশ নাবিকেরা সদ্য স্বাধীন বাংলাদেশের নৌবাহিনী গঠনেও ভূমিকা রেখেছিল। সেসব বিষয়কে উপজীব্য করেই এই আলোকচিত্র প্রদর্শনী।
