চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে জঙ্গল সলিমপুরে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদের সময় হামলার ঘটনা ঘটেছে।
এ ঘটনায় সহকারী কমিশনার (কাট্টলী) মো. উমর ফারুক এবং সীতাকুণ্ড থানার ওসি তোফায়েল আহমেদসহ কয়েকজন আহত হয়েছেন। হামলার পর তিনজনকে আটক করেছে পুলিশ।
বৃহস্পতিবার সকাল থেকে জঙ্গল সলিমপুরে উচ্ছেদ অভিযান শুরু হয়। অভিযান যখন শেষের পথে, তখন বিকাল ৩টার দিকে হামলার ঘটনা ঘটে।
চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার (কাট্টলী) মো. উমর ফারুক বলেন, দুই পাশের পাহাড় থেকে পাথর ও ইট নিক্ষেপ শুরু হয়। আমি মাথার পেছনে আঘাত পেয়েছি। একটি বেসরকারি হাসপাতালে সিটি স্ক্যান করা হয়েছে। এখন রিপোর্টের অপেক্ষায় আছি।
সকালে অভিযানে শুরুতে পাহাড়ের অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করতে গেলে স্থানীয় বাসিন্দারা বুলডোজারের সামনে শুয়ে পড়ে বাধা দেয়। পরে টিয়ার শেল ছুড়ে তাদের ছত্রভঙ্গ করে দেয় পুলিশ। এরপর অভিযান শুরু হয়।
অভিযানে ১০০ অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়। তাতে প্রায় ১০ একর জমি দখলমুক্ত হয় বলে জানান সহকারী কমিশনার মো. উমর ফারুক।
উচ্ছেদের শেষ দিকে স্থানীয়দের ছোড়া ইট-পাথরের আঘাতে একাত্তর টেলিভিশনের একটি গাড়িসহ চারটি গাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত। ইটের আঘাতে কয়েকজন আহত হন।
সীতাকুণ্ড থানার ওসি তোফায়েল আহমেদ গণমাধ্যমকর্মীদের বলেন, অভিযানে প্রায় দুই শতাধিক পুলিশ ও আনসার সদস্য উপস্থিত ছিলেন। হামলার সঙ্গে জড়িত থাকায় তিনজনকে আটক করা হয়েছে।
জঙ্গল সলিমপুরের ছিন্নমূল বড়ইতলা ২ নম্বর সমাজ এলাকায় সলিমপুর মৌজার ১ নম্বর খাস খতিয়ানভুক্ত ওই জমিটি দীর্ঘদিন ধরে অবৈধ দখলে ছিল। অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদের পর সেখানে কাঁটাতারের বেড়া দিয়ে ঘিরে দিচ্ছে জেলা প্রশাসন।
