ঊর্ধ্বমূল্যের বাজারে আলু, পেঁয়াজ ও ডিমের নির্দিষ্ট দাম বেঁধে দেওয়ার পর ভোজ্য তেলের দাম পাঁচ টাকা পর্যন্ত কমানোর ঘোষণা দিয়েছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়।
বৃহস্পতিবার মন্ত্রণালয়ে ‘নিত্যপ্রয়োজনীয় কৃষিপণ্যের উৎপাদন, চাহিদা ও মূল্য পরিস্থিতি’ পর্যালোচনা সভা শেষে এ ঘোষণা দেন বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি।
তিনি বলেন, বোতলজাত সয়াবিন তেল প্রতি লিটার ১৭৪ টাকা থেকে পাঁচ টাকা কমিয়ে ১৬৯ টাকা এবং খোলা সয়াবিন তেল লিটার ১৫৪ টাকা থেকে ১৪৯ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। অপরদিকে পাম তেল ১২৮ টাকা লিটার থেকে কমিয়ে ১২৪ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
দুয়েক দিনের মধ্যেই মিল মালিক ও ব্যবসায়ীরা নতুন দরের ঘোষণা দেবেন বলে আশা প্রকাশ করেন মন্ত্রী।
এর আগে গত ১৪ অগাস্ট ভোজ্য তেলের দাম লিটারে পাঁচ টাকা কমিয়ে ১৭৪ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছিল। সেদিন খোলা সয়াবিন তেল লিটার ১৫৪ টাকা এবং চিনি প্রতি কেজি ১৩০ টাকা থেকে ১৩৫ টাকার মধ্যে নির্ধারণ করেছিলেন ব্যবসায়ীরা।
আমদানি পণ্যের মধ্যে তেল-চিনি বেশি প্রয়োজন জানিয়ে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, চিনি আমাদের ৯৯ শতাংশ আমদানি করতে হয়। আর তেল ৯০ শতাংশ আমদানি করতে হয়।
আজই আমরা আলোচনার পরিপ্রেক্ষিতে সিদ্ধান্ত নিয়েছি, পাম ও সয়াবিন তেলের দাম আরও কমানো হবে। আজকালকের মধ্যে (নতুন দাম) ঘোষণা করবে কোম্পানিগুলো “
চিনির মূল্য এখনও ‘কমানোর পর্যায়ে আসেনি’ জানিয়ে টিপু মুনশি বলেন, বর্তমানে খোলা চিনির দাম প্রতি কেজি ১২০ টাকা ও প্যাকেটজাত প্রতি কেজি ১৩৫ টাকা। এটা এখনও কমানোর মতো অবস্থা হয়নি। ভারত থেকে আনতে পারলে দাম কম পরত, কিন্তু ভারত বন্ধ করে দিয়েছে।
এছাড়া ৪০ টাকার ওপরে সরকার শুল্ক নির্ধারণ করেছে। কাজেই আগের দামেই রয়েছে। তবে আমরা বাজার পর্যবেক্ষণের মধ্যে আছি যে মুহূর্তে দেখব আন্তর্জাতিক বাজারে দাম কমেছে, সে মুহূর্তে দেশের বাজারে দাম কমিয়ে দেব।
