১৫ই আগস্ট জাতীয় শোক দিবস পালন পরিষদের উদ্যোগে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৮তম শাহাদাত বার্ষিকী উপলক্ষে মাসব্যাপী কর্মসূচির শেষ দিনে চট্টগ্রাম বন্দর রিপাবলিক ক্লাবে দোয়া মাহফিল ও জিয়াফতের আয়োজন করা হয়।
বৃহস্পতিবার (৩১ আগস্ট) সন্ধ্যা ৭টায় মহানগর যুবলীগের সহ সভাপতি দেবাশীষ পাল দেবুর সভাপতিত্বে চট্টগ্রাম বন্দর সিবিএর সাধারণ সম্পাদক নায়েবুল ইসলাম ফটিক এর সঞ্চালনায় এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র বীর মুক্তিযোদ্ধা এম রেজাউল করিম চৌধুরী।
প্রধান বক্তা হিসাবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম ১০ আসনের সাংসদ আলহাজ্ব মহিউদ্দিন বাচ্চু।
বিশেষ অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম চেম্বার অব কর্মাসের সভাপতি ওমর হাজ্জাজ, ইপিজেড থানা আওয়ামীলীগ এর যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জাকের আহম্মদ খোকন, ৩৭ নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক কাউন্সিলর আবদুল মান্নান, পতেঙ্গা থানা আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক সেকান্দর আজম, বন্দর সিবিএ’র মোকারম হোসেন, খ ম ইয়াকুব, বীর মুক্তিযোদ্ধা বক্কর হুমায়ুন কবির মুকুট, আবুল হোসেন চৌধুরী, রেজাউল করিম রাজু, যুবলীগ নেতা আনিফুর রহমান লিটু, সুফিউর রহমান টিপু, আশিষ কান্তি মুহুরী, জামিল আহমেদ মিলন, এফ এ চৌধুরী বাদল, সাইফুর রহমান সোহেল, মারুফ আহমেদ সিদ্দিকী, ইমতিয়াজ বাবলা, জাহিদ খোকন, সালাউদ্দিন বাবর, ফরহাদ আবদুল্লা, মোঃ ইসমাইল, আবুল কাশেম, স্বপণ, দিদারুল আলম, সাজ্জাদ আলী জুয়েল, কাজি আরিফ, মাকসুদুল আলম জিকু, এমরান হোসেন, মোঃ শরিফ, সাজিবুল ইসলাম সজীব, মারুফুল ইসলাম মারুফ, তানভির বিন হাসান, মনিরুল হক মনির, মোঃ শহিদুল্লাহ, মোঃ সোহেল রানা, যুবায়ের হোসেন অভি, মোশারফ আলী শাপলু, শাহজাহান বাপ্পি, ফারুক হোসেন সুমন, নুরুল আজিম বাবুল, বেলাল হোসেন, মোঃ জিয়া, ইসমাইল হুরন, মোঃ সালা উদ্দিন, মোঃ মিজান, আরমান, শহিদুল্লা শহিদ, মাকসুদুর রহমান মাকসুদ, আকবর জুয়েল, সৈয়দ সুলতান ফাহিম, আবিদ হাসান, ইফতেখার উদিন ইফতি, হারুন আর রশিদ সামিউল, আওয়াল মুছা, নিপু চন্দ দাস,জহির রায়হান, অর্জূন দাশ, জুয়েল রানা, রমজান আলী, মো হানিফ, আবু নাছের জুয়েল, মাহমুদুর রহমান বাপ্পি, প্রণব, মমিনুল হক মাসুম, মোঃ শরিফ, মোঃ মাসুম, সোহেল, আলাউদ্দিন সোহেল, মামুন, জাবের, ইশতিয়াক সাকিব, মাইনুল ইসলাম রায়হান, মোস্তাইন মারুফ, হৃদয় কুমার দাশ, প্রান্তী ভট্টাচার্য্য, আদৃতা পাল, চন্দ্রীকা, মল্লিকা, জালাল উদ্দিন, পলাশ চক্রবর্তী, মোঃ রিফাত সুমন, কৌশিক রায়, রাহাত, আলী আকবর মোঃ ফাহিম, দেলোয়ার, সাগর, নুর উদ্দিন রাসেল, রোকন উদ্দীন, জাহিদুল আলম আলো, জয় দাশ, রানা, শাহাব উদ্দীন, সৌরভ, শুভ, আশরাফ, ফাতিন, ইমন, শিমুল, দেলোয়ার, সগর, সাজ্জাদ, হৃদয়, সামী, শাহীন প্রমুখ।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে সিটি মেয়র এম রেজাউল করিম চৌধুরী বলেন, ১৯৭৫ সালের ১৫ই আগস্ট থেকে দীর্ঘ ২১ বছর বাঙালি জাতি বিচারহীনতার কলঙ্কের বোঝা বহন করতে বাধ্য হয়।
জাতির পিতার সুযোগ্যকন্যা শেখ হাসিনার নেতৃত্বে গঠিত সরকার বঙ্গবন্ধুর হত্যাকারীদের বিচারের কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়ে নিয়মতান্ত্রিক বিচারিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ২০১০ সালে ঘাতকদের ফাঁসির রায় কার্যকর করার মধ্য দিয়ে বাঙালি জাতিকে কলঙ্কমুক্ত করে।
বঙ্গবন্ধু বলেছিলেন, বাংলার মাটিতে যুদ্ধাপরাধীদের বিচার হবেই। বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা সব ষড়যন্ত্রকে উপেক্ষা করে নানা প্রতিকূলতার মুখোমুখি হয়েও ঘৃণ্য যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের প্রক্রিয়া শুরু করেন।
বাঙালির মহান নেতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানে চেতনা অবিনশ্বর। বাঙালি জাতির অস্থিমজ্জায় মিশে আছেন বাঙালির অবিসংবাদিত নেতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। মুজিবাদর্শে শাণিত বাংলার আকাশ-বাতাস জল-সমতল।
প্রজন্ম থেকে প্রজন্মের কাছে শেখ মুজিবুর রহমানের অবিনাশী চেতনা ও আদর্শ চির প্রবহমান থাকবে। জাতির পিতা চেয়েছিলেন ক্ষুধা ও দারিদ্রমুক্ত বৈষম্যহীন সমাজ প্রতিষ্ঠা করতে।
বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশের জনগণের মুক্তির যে স্বপ্ন দেখেছিলেন তার সুযোগ্য কন্যা শেখ হাসিনার বলিষ্ঠ নেতৃত্বে ক্ষুধা ও দারিদ্র্যকে জয় করে বিশ্বসভায় একটি মর্যাদাবান ও উন্নয়নশীল রাষ্ট্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে বাংলাদেশ। সারাবিশ্বে বাংলাদেশ আজ উন্নয়নের রোল মডেল।
প্রধান বক্তার বক্তব্যে সাংসদ আলহাজ্ব এম মহিউদ্দীন বাচ্ছু বলেন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বাঙালির স্বাধীনতা ও মুক্তির প্রতীক।
তিনি বাংলার মাটি ও মানুষের পরম আত্মীয়, শত বছরের ঘোর নিশীথিনীর তিমির বিদারী অরুণ, ইতিহাসের বিস্ময়কর নেতৃত্বের কালজয়ী স্রষ্টা, বাংলার ইতিহাসের মহানায়ক, স্বাধীন বাংলাদেশের স্বপ্নদ্রষ্টা, স্বাধীন-সার্বভৌম বাংলাদেশ রাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠাতা।
বাঙালি জাতির পিতা। সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি। উন্নত সমৃদ্ধ ‘সোনার বাংলা’র স্বপ্ন সারথি। ’৭৫-এর ১৫ আগস্ট নরপিশাচ রূপি খুনিরা জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে হত্যা করেই ক্ষান্ত হয়নি, বঙ্গবন্ধু হত্যার বিচার প্রক্রিয়া বন্ধ করতে ঘৃণ্য ইনডেমনিটি অধ্যাদেশ জারি করে।
