ঈদুল আজহার ছুটিতেও পর্যটক শূন্য বান্দরবান। প্রতিবছর ঈদের এ সময়ে জেলার পর্যটনকেন্দ্রগুলো দর্শনার্থীদের পদচারণায় মুখর থাকে, তবে এবার সে অবস্থা নেই।
জেলার নীলাচল, মেঘলা ও শৈলপ্রপাত পর্যটনকেন্দ্র ঘুরে এ চিত্র দেখা গেছে।
নীলাচল পর্যটনকেন্দ্রের ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী শোভা তঞ্চঙ্গ্যা বলেন, পর্যটকদের কাছে বিক্রির আশায় ঋণ নিয়ে দোকানে মালামাল ও মৌসুমি ফল তুলেছি। কিন্তু পর্যটক না থাকায় তেমন বিক্রি নেই। ফলগুলো নষ্ট হয়ে যাচ্ছে।
নীলাচলের টিকিট কাউন্টারের দায়িত্বে থাকা সুমি তঞ্চঙ্গ্যা বলেন, গতবছর বিশেষ ছুটির দিনে দৈনিক কয়েক হাজার পর্যটক নীলাচল ভ্রমণে আসতেন। এবার তেমন পর্যটক প্রবেশ করছে না।
মেঘলা পর্যটনকেন্দ্রের টিকিট কাউন্টারের দায়িত্বে থাকা সুকুমার তঞ্চঙ্গ্যা বলেন, বর্ষা মৌসুমে এমনিতেই পর্যটকের আগমন কিছুটা কম থাকে। গতকাল ১২৫টি টিকিট বিক্রি হয়েছে যা গত বছরের তুলনায় অনেক কম।
হোটেল গ্র্যান্ড ভ্যালির ম্যানেজার মো. সুমন বলেন, ঈদুল আজহার ছুটিতে হোটেল মালিক সমিতির পক্ষ থেকে ২০ শতাংশ ছাড় দেওয়া হয়েছে। পর্যটক না থাকায় এর বাইরে আগতদের সর্বোচ্চ ছাড় দেওয়া হচ্ছে। তারপরও ১০ শতাংশ কক্ষও বুকিং হয়নি।
হোটেল হিল ভিউয়ের ম্যানেজার তৌহিদ পারভেজ বলেন, আমাদের হোটেলে ১০০ অধিক কক্ষ রয়েছে। এর মধ্যে মাত্র চারটি কক্ষ বুকিং হয়েছে।
বান্দরবান জেলা প্রশাসক ইয়াছমিন পারভিন তিবিরিজী বলেন, জেলার তিনটি উপজেলা ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। বাকি চার উপজেলায় সম্পূর্ণ নিরাপদে যে কেউ ভ্রমণ করতে পারেন।
হোটেলগুলোতে আগাম বুকিং কম হলেও পর্যটক আসার সম্ভাবনা রয়েছে। পবিত্র ঈদুল আজহায় নীলাচল ও মেঘালয় পর্যটনকেন্দ্রে ২০ শতাংশ ছাড় দেওয়া হয়েছে, যা সেপ্টেম্বর পর্যন্ত চলবে।
