কক্সবাজারের পেকুয়া উপজেলার রাজাখালী ইউনিয়নের ১৪ জন গরিব কৃষককে ১৪ টি সেচ পাম্প দিয়েছে এলজি ইলেকট্রনিক্স বাংলাদেশ।
আজ রোববার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে সেচ পাম্প বিতরণ উপলক্ষে রাজাখালী এয়ার আলী খান উচ্চ বিদ্যালয়ে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সেচ পাম্প পেয়ে খুশি কৃষকেরা। কৃষকেরা বলছেন, এলাকার বেশিরভাগ নলকূপে পানি উঠছে না। পানির স্তর নিচে নেমে যাওয়ায় ধান চাষে ও লবণ উৎপাদনে চরম ব্যাঘাত ঘটছে। এই মুহুর্তে সেচ পাম্পগুলো খুব উপকার হবে কৃষকদের। বদিউদ্দিন পাড়ার কৃষক মোহাম্মদ ছাবের (৫৫) বলেন, আমি একজন লবণ চাষী। জমিদারের কাছ থেকে জমি বর্গা নিয়ে লবণের চাষ করি। প্রতিবছর সেচ দিতে অনেক টাকা খরচ হয়। এখন বিনামূল্যে সেচ পাম্প পাওয়ায় অনেক ব্যয় সাশ্রয় হবে।
সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন এলজি ইলেকট্রনিক্স বাংলাদেশ শাখার ব্যবস্থাপনা পরিচালক পিটার কো।
বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন এলজি ইলেকট্রনিক্সের একাউন্টিং অ্যাণ্ড ট্যাক্স মো. রেহানউদ্দিন, কক্সবাজার জেলা পরিষদের সদস্য মোহাম্মদ শওকত, প্রথম আলোর সাংবাদিক এস এম হানিফ। এছাড়া বক্তব্য দেন এলজি ইলেকট্রনিক্সের এম্বাসেডর জাহিদুল ইসলাম, রাজাখালী এয়ার আলী খান উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক রহিম উদ্দিন, রাজাখালীর স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন সামাজিক বিপ্লবের সদস্য মিশকাত কবির আজাদ, উপকারভোগী ছাবের আহমদ।
এলজি ইলেকট্রনিক্স বাংলাদেশের ব্যবস্থাপনা পরিচালক পিটার কো বলেন, এলজির পণ্য মানুষ ব্যবহার করে খুশি হবে। এটি বিদ্যুৎ সাশ্রয় করে। মানুষের স্বাস্থ্যও ঠিক রাখে। এটি মানুষের জীবনকে সহজ করে দেয়। এলজির ম্যানেজমেন্ট ও এমপ্লয়ীদের টাকায় জীবনমান উন্নয়নমূলক এই প্রকল্প বাস্তবায়িত হয়। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে জীবনমান উন্নয়নে প্রোগ্রাম হয়। বাংলাদেশেও ৫-৬ টি প্রোগ্রাম হয়ে থাকে। আমরা কখনও নগদ টাকা প্রদান করি না, আমরা পণ্য দিই। যাতে মানুষ জীবনমান উন্নয়ন করতে পারে।
