চট্টগ্রামের চন্দনাইশে বিয়ের দাবিতে প্রেমিকের বাড়িতে সকাল থেকে রাত পর্যন্ত অনশন করেছেন যশোর থেকে ছুটে আসা প্রেমিকা দেবীলতা রানী মন্ডল (৩০)।
আজ বুধবার (১৮ মে) সকাল থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত প্রেমিকের বাড়ির আঙ্গিনায় অনশন করেন। এই সময় ঐ এলাকার শত শত নারী পুরুষ জড়ো হয়।
জানাযায় যশোর জেলার বাঘারপাড়া থানার ছোট খদরা নারায়ন কুমার মন্ডলের মেয়ে দেবীলতা রানী মন্ডল (৩০) এর সাথে চন্দনাইশ উপজেলার গাছবাড়ীয়া ১নং সরকার বড়ীর তপন সরকারের ছেলে রকি সরকার প্রতারনা করে ভুল টিকানা দিয়ে সমাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেইসবুকের মাধ্যমে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে।
সরজমিনে গিয়ে যশোর থেকে আসা দেবী লতা রানী মন্ডলের সাথে কথা বলে জানাযায় তার বাড়ী যাশোর, প্রথমে তার একটি ছেলের সাথে বিয়ে হয় ওই স্বামি ৫বছর যাবৎ যোগাযোগ না রাখায় হিন্দু ধর্ম মতে মৃত হিসেবে ধরে নেয়।
এ সব রকিকে বলি রকি সব জেনে শুনে আমাকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে বাসায় যাতায়েত করে শাররিক সম্পর্ক গড়ে তোলে বিভিন্ন অযুহাতে প্রায় দের লাখ টাকার মত নেয়।
এক পর্যায়ে গত ২৯ এপ্রিল ২২ সন্ধায় গৌধুলী লগ্নে বিয়ের কথা পাকা করে এর পড় থেকে মোবাইল ফোন বন্ধ রাখে এবং তার সবকিছু বন্ধ রাখে।
তাকে আর খোজে না পাওয়াতে যশোর পুলিশ সুপারের বরাবর একটি অভিযোগ দায়ের করে। পুলিশ সুপার ডিবি পুলিশের ওসিকে তদন্ত দিলে ঐ ছেলেটির বাড়ি চন্দনাইশের গাছবাড়িয়া এলাকায় খোজে পায়। এবং মেয়েটি যশোর থেকে গত মঙ্গলবার গভীর রাতে চন্দনাইশ থানায় আশ্রয় নেয় বলে জানান।
আজ ১৮ মে (বুধবার) সকাল থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত ঐ ছেলের বাড়িতে অনশন করে এবং তাকে এলাকার মানুষ হেনস্তা করে বলে জানান।
এই ব্যাপারে রকির পরিবারের সাথে যোগাযোগ করতে চাইলে বাড়িতে কাউকে না পেয়ে রকির মোবাইল ফোন বন্ধ থাকায় তার বক্তব্য দেওয়া সম্ভব হয়নি। তবে তার প্রতিবেশি চাচা আশিষ কুমার সরকার ও মাস্টার অলোক কুমার সরকারের সাথে কথা হলে তারা ঘটনার বিষয় স্বীকার করে বলেন, মেয়েটি বিবাহিত এবং তার স্বামী রয়েছে স্বামীকে ডিবোর্স দেয় নাই।
যশোর থেকে তার কোনো অভিবাক নিয়ে না আসাতে তার সাথে কোনো প্রকার মীমাংসা করা সম্ভব হচ্ছেনা।
এ বিষয়ে যোগাযোগ করা হলে চন্দনাইশ থানার ওসি আনোয়ার হোসেন জানান, মেয়েটি এক প্রকার ভারসাম্যহীন। যে এলাকায় ঘটনা ঘটেছে সেখান থেকে মামলা করে আসলে অভিযুক্ত ব্যাক্তিদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যাবস্থ নেওয়া হবে।
