চট্টগ্রামের চান্দগাঁও থানাধীন চররাঙ্গামাটিয়া এলাকায় সামান্য মোবাইল নিয়ে পূর্ব বিরোধের জেরে প্রতিপক্ষের ছুরিকাঘাতে মোহাম্মদ সাকিব (২৮) নাম যুবককে খুন করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার ২০ আগস্ট সন্ধ্যা ৭টার দিকে চান্দগাঁও থানা এলাকার কামালবাজার লায়লা টাওয়ারের সামনে তার পূর্ব পরিচিত প্রতিপক্ষ ছুরিকাঘাত করে পালিয়ে যায়। এসময় সাকিবকে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয়রা চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
নিহত সাকিব চান্দগাঁওয়ের চররাঙ্গামাটিয়া এলাকার মৌলানা ছৈয়দুল হক বাড়ির মো. নজুম উদ্দিনের ছেলে।
ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে চান্দগাঁও থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন জানান, মোবাইল সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে তার পূর্ব পরিচিতের সঙ্গে আগে থেকে বিরোধ ছিল। পূর্ব বিরোধের জেরে আজকে সন্ধ্যায় এই ঘটনা ঘটেছে। ঘটনার পর আমরা অভিযানে আছি।
ঘটনাস্থল থেকে স্থানীয় সংগঠক ও সমাজকর্মী লোকমান হোসেন মুন্না জানান, নিহত মো. সাকিবেব বাড়ি চান্দগাঁওয়ের চর রাঙ্গামাটিয়া এলাকার মৌলানা ছৈয়দুল হক বাড়ি। তার বাবার নাম নজুম উদ্দিন এবং মায়ের নাম রুজি আক্তার।
জানা গেছে সাকিবের সঙ্গে মোবাইল সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে তার পূর্ব পরিচিত অপর একটি গ্রুপের মধ্যে বিরোধ ছিল। আজকে এ নিয়ে দুইজনের মধ্যে কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে সাবিককে ছুরিকাঘাত করে পালিয়ে যায়। এসময় সে রক্তাক্ত অবস্থায় কামালবাজার লায়লা টাওয়ারের সামনে সাবিককে পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে চমেক হাসপাতালে নিয়ে যায়।
সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
সাকিবকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া শরীফ উদ্দিন নামে এক পথচারী বলেন, ‘কামালবাজার লায়লা সেন্টারের সামনে ছুরিকাঘাতে আহত হয়ে ওই যুবক পড়ে ছিল। আমি এবং আরও দুই পথচারী মিলে তাকে হাসপাতালে নিয়ে আসি। সেখানে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
এই ব্যাপারে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ (এসআই) নুরুল আলম আশেক জানান, ছুরিকাঘাতে রক্তাক্ত অবস্থায় সাকিব নামে একজনকে হাসপাতালের জরুরি বিভাগে আনা হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। বর্তমানে লাশ মর্গে রাখা হয়েছে।
জানা গেছে, ছেলে খুন হওয়ার খবর পেয়ে হাসপাতালে সাবিকের মা-বাবা সহ আত্মীয় স্বজনদের আহাজারিতে পুরো এলাকার পরিবেশ ভারী হয়ে ওঠে।
চট্টগ্রামনিউজ/ এসডি/
