কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে নেশার টাকা না পেয়ে পিতা, মাতাকে মারধর করার অভিযোগ উঠেছে শহিদুল ইসলাম শরীফ মজুমদার নামে এক যুবকের বিরুদ্ধে। ঘটনার পর সেই ছেলের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দিতে গিয়ে মাথা ঘুরে পড়ে মৃত্যু হয়েছে আবু তাহের মজুমদারের।
শনিবার ১৫ আগস্ট তথ্যটি নিশ্চিত করেছেন চৌদ্দগ্রাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আরিফ হোছাইন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে বাংপাই গ্রামের শহিদুল ইসলাম শরীফ মুজমদার (৩২) মাদকাসক্ত। প্রায়ই সময় তার নেশার টাকার জন্য পিতা আবু তাহের মজুমদার ও মাতা শরীফা বেগমকে গালমন্দ, মারধর করে এবং ঘরে থাকা জিনিসপত্র ভাংচুর করে আসছিল।
এরই ধারাবাহিকতায় আজ শনিবার (১৫ আগস্ট) সকাল সাড়ে সাতটায় নেশার টাকার জন্য তার পিতার ঘরে ঢুকে গালমন্দ করে। এক পর্যায়ে পিতা আবু তাহের মজুমদার ও মাতা শরীফা বেগমকে এলোপাতাড়ি কিল ঘুষি ও গলাটিপে শ্বাসরোধ করে হত্যার চেষ্টা করলে তারা চিৎকার শুরু করে। তাদের চিৎকার শুনে আশপাশের লোকজন ঘটনাস্থলে এসে শহিদুল ইসলাম শরীফ মজুমদারের হাত থেকে তার পিতা-মাতাকে প্রাণে রক্ষা করে।
এই ঘটনায় আবু তাহের মজুমদার তার ছেলে শরীফ মজুমদারের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ নিয়ে চৌদ্দগ্রাম থানায় প্রবেশকালে থানা আঙিনায় মাথা ঘুরিয়ে পড়ে যায়। উপস্থিত লোকজন দেখতে পেয়ে দ্রুত চৌদ্দগ্রাম উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক আবু তাহের মজুমদারকে মৃত ঘোষণা করেন। খবর পেয়ে থানা পুলিশ এসে লাশের সুরতহাল প্রস্তুত করে থানায় নিয়ে যায়।
চৌদ্দগ্রাম মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আরিফ হোছাইন বলেন, পারিবারিক কলহের বিষয়ে থানায় অভিযোগ দিতে এসে আবু তাহের মজুমদার নামে এক ব্যক্তি অসুস্থ্য হয়ে পড়ে যান। হাসপাতালে নেয়ার পর চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন। লাশটি ময়নাতদন্তের জন্য কু.মে.ক হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে।
চট্টগ্রামনিউজ/ এসডি/
