দীর্ঘ ১৪ বছর পর নিজ নির্বাচনী এলাকা কক্সবাজার -১ (২৯৪) চকরিয়া- পেকুয়া আসনে গণসংযোগে ফিরছেন বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য,সাবেক মন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ।
এ বিষয়ে কক্সবাজার জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি ও চকরিয়া উপজেলা বিএনপি সভাপতি আলহাজ্ব এনামুল হক জানান,আগামী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে আগামীকাল ২ ডিসেম্বর হতে ৬ ডিসেম্বর পর্যন্ত চকরিয়া-পেকুয়ার প্রতিটি অলিগলি ও গ্রাম-গঞ্জে সরাসরি মানুষের সঙ্গে সংযোগ স্থাপন করতে যাচ্ছেন তিনি। তিনি কেন্দ্রীয়ভাবে দলের সাংগঠনিক কাজে ব্যস্ত থাকার কারণে মাঝে মধ্যে নিজ গ্রামে আসলেও নির্বাচনকে কেন্দ্রকরে নিজ দলীয় মনোনয়ন পাওয়ার পর এটিই সালাহ আহমদের নির্বাচন কেন্দ্রীক সফর। জানা যায়, তিনি নিজ নির্বাচনী এলাকায় গণসংযোগে অংশগ্রহণ করবার লক্ষ্যে আগামীকাল (২ ডিসেম্বর) ঢাকা থেকে বিমানযোগে কক্সবাজার বিমানবন্দরে সকাল ১১ দিকে অবতরণ করার কথা রয়েছে। পথিমধ্যে তিনি নির্বাচনী এলাকা চকরিয়া উপজেলার খুটাখালী, মালুমঘাট ও ডুলাহাজারা ইউনিয়নে গণসংযোগে অংশগ্রহণ করার কথা রয়েছে।
এছাড়া বিকাল ৩ টায় ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়নের রশিদ আহমদ চৌধুরী উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে এক বিশাল পথসভায় বক্তব্য রাখবেন বলে জানা যায়।
এ বিষয়ে সালাহউদ্দিন আহমেদ এর প্রেস সচিব মো: ছফওয়ানুল করিমের সাথে কথা বলে জানা যায়, এটি কেবল নির্বাচন কেন্দ্রীক সফর। এ সফরকালে তিনি প্রায় এক সপ্তাহ নাগাদ নিজ বাড়িতে অবস্থান করবেন ।
এরপর পর্যায়ক্রমে চকরিয়া -পেকুয়ার প্রতিটি ওয়ার্ডে গিয়ে মানুষের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন এবং এলাকার সমস্যা ও সম্ভাবনার খোঁজ নেবেন।
এদিকে সালাহ উদ্দিনের আহমদের আগমনকে কেন্দ্র করে ইতিমধ্যে চকরিয়া উপজেলা বিএনপি সভাপতি আলহাজ্ব এনামুল হক ও সাবেক উপজেলা বিএনপি সভাপতি আলহাজ্ব মিজানুর রহমান চৌধুরী খোকন মিয়া উভয়ই ডুলাহাজারা ও খুটাখালী এলাকায় গণসংযোগের এলাকা নির্ধারণ ও সার্বিক বিষয়ে প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছেন বলে নিশ্চিত হওয়া গেছে।
পেকুয়া উপজেলা বিএনপির সভাপতি এম. বাহাদুর শাহ ও সাধারণ সম্পাদক ইকবাল হোছাইন ইতিমধ্যেই প্রতিটি ইউনিয়ন ও ওয়ার্ডে নেতা-কর্মীদের সঙ্গে মতবিনিময় করে গণসংযোগ কর্মসূচি সফল করার প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছেন।
ইকবাল হোছাইন বলেন, “প্রায় ১৪ বছর পর নিজের গ্রামে ফিরে মানুষের সঙ্গে সরাসরি সংযোগ করছেন সালাহউদ্দিন আহমেদ। এটি আমাদের নেতা-কর্মীদের জন্য বড় প্রেরণা। আমরা চাই প্রতিটি ওয়ার্ডে তাঁর গণসংযোগ সফল হোক।”
নেতাকর্মীরা মনে করছেন, এই সফর স্থানীয় রাজনীতিতে নতুন প্রাণ সঞ্চার করবে এবং দলের কর্মকাণ্ডকে আরও গতিশীল করবে। এলাকা ইতিমধ্যেই উৎসবমুখর হয়ে উঠেছে, যেখানে সাধারণ মানুষ ও নেতা-কর্মীরা উভয়ই এই সফরের অপেক্ষায় রযেছে।
আর এইচ/
