আনোয়ারা উপজেলার বটতলী ইউনিয়নে ১৪ বছর বয়সী এক কিশোরীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে মো. নাঈম ওরফে পেজা (২০) এবং হাসমন আক্তার ওরফে ফুতু (৩৫) নামে দুজনকে গ্রেপ্তার করেছে থানা পুলিশ।
রবিবার (২৪ আগস্ট) বেলা ১২টার দিকে তাদের আদালতে পাঠানো হয়। এর আগে শনিবার (২৩ আগস্ট) দিবাগত রাতে আনোয়ারার বটতলী থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তার মো. নাঈম ওরফে পেজা উপজেলার বটতলী ইউনিয়নের আইরমঙ্গল এলাকার ফজ্জা বড় বাড়ির মো. আবুল কালামের ছেলে এবং হাসমন আক্তার ওরফে ফুতু একই এলাকার ইউসুফের বাপের বাড়ির আহমদ নুরের স্ত্রী।
থানা সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার (২১ আগস্ট) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে ঘরে একা থাকার সুযোগ মুখ চেপে ধরে তুলে নিয়ে গিয়ে শুক্রবার (২২ আগস্ট) রাত আড়াইটা পর্যন্ত ওই কিশোরীকে উপজেলার বটতলী ইউনিয়নের পশ্চিম বরৈয়া ডিউরি রাস্তার মাথায় বিলের পাশে একটি পরিত্যক্ত টিনশেড ঘরে আটকে রেখে মো. শাহাজাহান (২১), মো. নাঈম (২০) ও ওমর ফারুক (২৪) নামে তিন যুবক একাধিকবার ধর্ষণ করে। পরে হাসমন আক্তার ফুতু ভুক্তভোগীর কাপড়চোপড় ধুয়ে আলামত নষ্ট করেন এবং ব্যথানাশক ওষুধ খাইয়ে, প্রলোভন ও ভয়ভীতি দেখিয়ে ঘটনা প্রকাশ না করার চেষ্টা করেন।এ ঘটনা প্রকাশ করলে আরও ক্ষতি করার হুমকি দিয়ে তাকে গভীর রাতে ছেড়ে দেওয়া হয়। মেয়েটি প্রথমে এ ঘটনা কারও কাছে প্রকাশ করেনি। শনিবার অসুস্থ হয়ে পড়ার পর ঘটনা জানাজানি হলে তার পরিবারের পক্ষ থেকে পুলিশকে অবহিত করা হয়।’
আনোয়ারা থানার অফিসার ইনচার্জ মো. মনির হোসেন বলেন, ‘খবর পেয়ে অভিযুক্ত দু’জনকে আটক করে আদালতে পাঠানো হয়েছে। বাকিদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলমান রয়েছে। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে।’
আর এইচ/
