দুর্বল ব্যাংকগুলোর একীভূতকরণ প্রক্রিয়া চলছে, তবে এতে আমানতকারীদের চিন্তার কোনো কারণ নেই বলে আশ্বস্ত করেছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুর। তিনি জানান, আমানতকারীদের স্বার্থ রক্ষায় সরকার সব ধরনের দায়িত্ব নেবে।
মঙ্গলবার (১২ আগস্ট) বাংলাদেশ ব্যাংকে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে ২০২৫-২০২৬ অর্থবছরের কৃষি ও পল্লী ঋণ নীতিমালা ঘোষণা করা হয়।
গভর্নর বলেন, “দুর্বল ব্যাংকগুলোর একীভূতকরণ একটি চলমান প্রক্রিয়া। এতে আমানতকারীদের কোনো ক্ষতি হবে না। বাংলাদেশ ব্যাংক ও সরকার তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে।”
সংবাদ সম্মেলনে গভর্নর জানান, সরকারের আমদানি নীতির ভুলের কারণে চলমান মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব হচ্ছে না। তিনি বলেন, “বছরের শুরুতেই যদি সঠিক নীতি নির্ধারণ না করা হয়, তাহলে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ করা কোনোভাবেই সম্ভব নয়।”
তিনি আরও উল্লেখ করেন, শুধু চালের দাম বেড়ে যাওয়ার কারণেই জুলাই মাসে মূল্যস্ফীতি কমেনি, যা দেশের খাদ্য নিরাপত্তা ও বাজার স্থিতিশীলতার ওপর প্রভাব ফেলছে।
২০২৫-২৬ অর্থবছরের কৃষি ও পল্লী ঋণ নীতিমালায় ঋণ বিতরণের লক্ষ্যমাত্রা ৩৯ হাজার কোটি টাকা নির্ধারণ করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। যা আগের অর্থবছরের তুলনায় ২.৬৩ শতাংশ বেশি।
ড. আহসান এইচ মনসুর বলেন, “বাংলাদেশ ব্যাংক চেষ্টা করবে যেন কৃষি ঋণ দালালদের bypass করে সরাসরি কৃষকদের হাতে পৌঁছায়। শতভাগ ঋণ যাতে প্রকৃত কৃষকের কাছে যায় তা নিশ্চিত করতে আমরা কঠোরভাবে নজরদারি চালাব।”
আরএইচ/
