ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে সারাদেশে ভোটার সচেতনতামূলক প্রচারণা শুরু করতে যাচ্ছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। সেই সঙ্গে আগামী নির্বাচনে কোনো পক্ষপাতদুষ্ট বিদেশি পর্যবেক্ষককে অনুমোদন দেওয়া হবে না বলে জানিয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন।
মঙ্গলবার (৮ জুলাই) সকালে রাজধানীর আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে কানাডিয়ান হাইকমিশনের প্রতিনিধি দলের সঙ্গে বৈঠক শেষে এসব তথ্য জানান তিনি।
বাংলাদেশে নিযুক্ত কানাডার হাইকমিশনার অজিত সিং নির্বাচন কমিশনের প্রস্তুতি জানতে প্রায় দেড় ঘণ্টা সিইসির সঙ্গে আলোচনা করেন। বৈঠকে আসন্ন নির্বাচনের সুষ্ঠু আয়োজন, ভোটার তালিকায় নারীদের অন্তর্ভুক্তি, পার্বত্য এলাকায় ভোটার সচেতনতামূলক কাজ ও এআই (আর্টিফিসিয়াল ইন্টেলিজেন্স) অপব্যবহার রোধে ইসির প্রস্তুতি নিয়ে আলোচনা হয়।
সিইসি বলেন, ‘‘সারাদেশে ভোটার এডুকেশন কার্যক্রম শুরু করব। ভোটারদের পাশাপাশি ভোটগ্রহণ কর্মকর্তা, এজেন্ট ও পর্যবেক্ষকদেরও প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। এ কাজে কানাডার সহযোগিতা থাকবে।’’
এআই অপব্যবহার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘‘মিসইউজ অব এআই আমাদের জন্যও হুমকি। কানাডাও তাদের নির্বাচনে এমন পরিস্থিতি মোকাবিলা করেছে। তাদের অভিজ্ঞতা কাজে লাগাতে আমরা পরামর্শ নিয়েছি।’’
বিদেশি পর্যবেক্ষক প্রসঙ্গে সিইসি স্পষ্ট বলেন, *‘‘পক্ষপাতদুষ্ট বিদেশি পর্যবেক্ষকরা কোনোভাবেই অনুমোদন পাবেন না। গত তিনটি নির্বাচনকে যারা অন্ধভাবে ‘সার্টিফিকেট’ দিয়েছে, তাদের অনুমোদন দেওয়ার প্রশ্নই নেই। অভিজ্ঞ, নিরপেক্ষ এবং আন্তর্জাতিক মানের পর্যবেক্ষকরাই অনুমোদন পাবেন।’’
তিনি আরও জানান, ইউরোপীয় ইউনিয়নকে (ইইউ) ইতোমধ্যে অবজারভার হিসেবে কাজ করতে বলা হয়েছে। নীতিমালা প্রায় চূড়ান্ত। ইইউর ২৮টি দেশের পর্যবেক্ষকদের সমন্বিতভাবে আগেভাগেই পাঠাতে বলা হয়েছে।
ভোটের নির্দিষ্ট সময়সীমা প্রসঙ্গে সিইসি বলেন, ‘‘কানাডার হাইকমিশনার সম্ভাব্য তারিখ জানতে চেয়েছেন। আমি জানিয়েছি, এখনো নির্দিষ্ট কোনো দিন ঠিক হয়নি। সময় হলে দেশের মানুষকেই আগে জানানো হবে।’’
আর এইচ/
