বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কার্যক্রম সরকার নিষিদ্ধ ঘোষণা করার পর দলটির নিবন্ধন বাতিল হবে কি না—এমন প্রশ্নে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম নাসির উদ্দিন বলেছেন, সরকারিভাবে গেজেট না পাওয়া পর্যন্ত এ বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া সম্ভব নয়। তিনি বলেন, “সূর্য উঠলে সব পরিষ্কার হবে।”
সোমবার (১২ মে) নির্বাচন ভবনে এক বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে সিইসি বলেন, “সরকার এখনো দলটির কার্যক্রম নিষিদ্ধের গেজেট পাঠায়নি। গেজেট ছাড়া অফিসিয়ালি কিছু বলা যায় না। গেজেট আসার পরই সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।”
দলটির নিবন্ধন বাতিল প্রসঙ্গে তিনি আরও বলেন, “প্রজ্ঞাপন হলে বুঝতে পারবেন। তখনই বলতে পারব। আমরা দেশের জন্য কাজ করি।”
নিবন্ধন বাতিলের বিষয়ে নির্বাচন কমিশনের প্রস্তুতি সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি জানান, নির্বাচন কমিশন একটি রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান, সরকার ঘোষিত প্রজ্ঞাপন পাওয়ার পরই প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
এর আগে, জাতীয় নাগরিক কমিটির আন্দোলনের প্রেক্ষিতে সরকার ১০ মে আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক কার্যক্রম নিষিদ্ধ করার সিদ্ধান্ত নেয়।
উল্লেখ্য, গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ অনুযায়ী, সরকার যদি কোনো রাজনৈতিক দলের কার্যক্রম নিষিদ্ধ করে, তাহলে নির্বাচন কমিশনের সেই দলের নিবন্ধন বাতিল করার বাধ্যবাধকতা রয়েছে। নিবন্ধন বাতিল হলে দলটি আর নিজস্ব প্রতীক ব্যবহার করে নির্বাচনে অংশ নিতে পারে না।
২০০৮ সালে নিবন্ধন প্রথা চালু হওয়ার পর থেকে ইসি ৫৫টি দলকে নিবন্ধন দিয়েছে। পরবর্তীতে বিভিন্ন কারণে—including আদালতের নির্দেশে—বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মতো কয়েকটি দলের নিবন্ধন বাতিল করা হয়।
আর এইচ/
